করোনা টেস্টের নামে প্রতারণা,শাহাবুদ্দিন মেডিকেল র‌্যাবের অভিযান

সিটি নিউজ ডেস্ক:: রাজধানীর গুলশানের শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ভাইরাস টেস্ট করা হচ্ছে না বলে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হলেও বাস্তবে হাসপাতালটি গোপনে কোভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলো, যা হাসপাতালের একটি প্রতারণা বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।

আজ রোববার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে হাসপাতালটিতে অভিযান শুরু করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানটি এখনো চলছে।

অভিযান চলাকালে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করছিলো। এছাড়াও তারা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নেয় বলে অভিযোগ পেয়েছি।
তিনি বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের করোনা পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিলো। কিন্তু তাদের করোনা পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় এই অনুমোদন বাতিল করা হয়। এরপরও তারা গোপনে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলো। 
তিনি আরো বলেন, তারা বাইরের রোগীদের টেস্ট করেছেন। এই টেস্টগুলো তারা যে ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে বাংলাদেশে সেই ডিভাইস ব্যবহারের অনুমোদন নাই। আর যেসব রিপোর্ট দিয়েছে তা সবই ভুয়া।


দ্বিতীয় অভিযোগ হলো, হাসপাতল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের অন্যান্য হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে।  
তৃতীয় অভিযোগ হলো, তারা কিছু প্রোডাক্ট যেমন মাস্ক, গ্লোভস, এগুলো তারা একের অধিক বার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত ওয়ানটাইম ইউজেবল। কিন্তু তারা এগুলো বার বার ব্যবহার করছে।  
তিনি বলেন, আমরা পুরো হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করছি। হাসপাতালের ওষুধাগারেও অভিযান চলছে। 
এদিকে, হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ডা. মো. আবুল হাসনাত ও হাসপাতালের ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদিকে র‌্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin