বাখেরগঞ্জে হিন্দু সম্পত্তি দখল চেষ্টায়, বির্তকিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সহিদ

স্টাফ রিপোর্টার: বরিশালের বাখেরগঞ্জ উপজেলার ৩নং দাড়িয়াল ইউনিয়ানের সাবেক চেয়ারম্যানের ভুমিদস্যুতার কবলে সংখালঘু হিন্দু সম্পত্তি দখলের পায়তারা। রাতের আধারে বিরোধপুর্ন জমি দখলে মরিয়া হয়ে আজ ওই জমিতে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ভরাট কালে জনতার রোসানলে পরে বির্তকিত ওই সাবেক চেয়ারম্যান মো: সহিদ হাওলাদার।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে বাখেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়ানাধীন বাবনীকাঠি গ্রামের ঐতিয্যবাহী পাল বাড়ী সম্পত্তি নিয়ে দেওয়ানী মামলা নং ১৬/২০১৬ চলমান এ অবস্থায় বিজ্ঞ আদালত অত্র জমিতে নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রদান করে। ১/২ নং বিবাদীগনের বিরুদ্ধে দফারফা সুত্রে এবং অন্যান্য বিবাদীগন এর বিরুদ্ধে একতরফা সুত্রে বিনা খরচায় আংশিক মঞ্জুর করেন। অত্র মামলটি চুড়ান্ত নিস্পত্তি পর্যন্ত মামলার বাদী এবং ঙ্গ নং বিবাদী পক্ষের নালিশী ভুমি সংক্রন্তে স্থিতি অব্স্থা বজায় রাখিবার আদেশ প্রদান করে আদালত। ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারী নথী ভুক্ত করা হয়।


এ বিষয়ে ৩নং দাড়িয়াল ইউনিয়ানের সাবেক চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম মুঠো ফোনে বলেন বাবনীকাঠি গ্রামের পাল বাড়ী সম্পত্তি মোট (৬.০২)একর জমি। সেখান থেকে মতি মাস্টার এর বড় ভায়ের স্ত্রী রাবেয়া বেগমে ক্রয় কৃত সম্পত্তির থেকে (৩৪)শতাংশ জমি মধ্যে (১৪)শংতাশ (আমি) সহিদুল ইসলাম ক্রয় করেছি সেই স্থানে ড্রেজার বসিয়ে বালু ভরাট করছিলাম সে সময় স্থানীয় পুলিশ এসে বাধা প্রদান করে বালু ভরাট বন্ধ করে দেন।
প্রকৃত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র নাথ পাল ও জয়েন্ত কুমার পাল জানান আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করার পায়তারা চালাচ্ছে ভুমি খেকো সাবেক চেয়ারম্যান সহিদ হাওলাদার বাহিনী। দিনে বেলায় দখল না পেয়ে রাতের আধারেই অবৈধ ভাবে তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের বাবা -ঠাকুরদার রেকর্ড কৃত জমিসহ বসত-ভিটা দখল করা অপচেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে সহিদ হাওলাদার।

গত শনিবার রাতে হটাৎ স্থানীয়দের মুখে শুনতে পায় যে আমাদের জমিনে বালু ভরাট করেছে সহিদ হাওলাদার’র লোকজন। ঢাকায় অবস্থানরত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র নাথ পাল কোন উপায় না পেয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে সহযোগীতা চাইলে তারা বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)যোগাযোগ করে বালু ভরাট বন্ধ করে দেন স্থানীয় প্রশাসন। বন্ধ করে আমাকে আবার ফোন করে জানান।


আজ স্থানীয় শশী পুলিশ ফাড়িতে দুই পক্ষদয়কে নিয়ে বিকেলে বৈঠক হয়। শালিশী সভায় পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা মো: জুবায়ের বলেন ওই জমিতে আদালতের নিশেজ্ঞা থাকায় উভয় পক্ষই কোন ধরনের নির্মান ও সং¯কার কাজ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। যদি কেউ এই নির্দেশ অমান্য করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin