সাহেদের সঙ্গে কারা জড়িত ছিলো তদন্ত হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিটি নিউজ ডেস্ক:: কাদের ছত্রছায়া ও পৃষ্ঠপোষকতায় সাহেদ ও সাবরিনা মতো অপরাধীরা বেড়ে উঠেছে তা তদন্ত করে বের করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের প্রতারণার বিষয়ে তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হবে। এ কথা বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

করোনা পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সাহেদ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আজ অনেকেরই মনেই প্রশ্ন আসছে এই সমস্ত ভুয়া লোক কীভাবে সরকারের সঙ্গে কাজ করে কিংবা সরকার তাদের স্বীকৃতি দেয়। সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি। যদিও আপনাদের অনেকের মনেই সন্দেহ আছে, সেগুলো আমরা খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি।
‘কারা কারা এদের সঙ্গে জড়িত ছিলো, কার সহযোগিতায় এ জায়গাটিতে তিনি এসেছেন সবগুলোই আমরা তদন্ত করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যা যা করা দরকার তার সবগুলোই করেছেন।

তিনি বলেন, সংবাদপত্রের ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করলে সবাইকে তা দেওয়া হয় না। বিচার বিবেচনা করে হাতে গোনা কয়েকজনকে দেওয়া হয়। তারপরেও কিন্তু আজ পর্যন্ত কয়েক হাজার সংবাদপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটাও সত্য, অনেকেই সংবাদপত্রকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। সেখানে আপনাদেরও চিহ্নিত করে দেওয়া দরকার, যাতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি।


মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সাংবাদিকদের মধ্যে কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ করা হয়েছে, অনুরূপভাবে সেটিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ প্রমুখ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin