সিকিউরিটি সার্ভিসে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, আটক ৮

সিটি নিউজ ডেস্ক::ঢাকায় চাকচিক্য অফিস, সুন্দরী রিসিপসনিস্ট আর অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপনকে পুঁজি করে “আরভিটা সিকিউরিটি সার্ভিস লি:”এর চাকরি দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সক্রিয় প্রতারণা চক্রের আট সদস্যকে আটক করেছে পল্লবী থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন, সানোয়ার হোসেন (২৪), মো. জুনায়েদ মিয়া (২৩), আবুল খায়ের (২৫), আ: গনি (২২), নাঈমা হাসান মিম (২০), রানা মিয়া (২২), মো. পারভেজ (২১) ও মো. জুনায়েদ আহমেদ (২৩)।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সজিব খান বলেন, ভুক্তভোগী মো. রাসেলের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার পল্লবী থানার সেকশন-১২, ই- ব্লক এর একটি বাড়ির পঞ্চম তলা থেকে আসামিদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫০টি অ্যাডমিশন ফরম, ৪০টি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে পূরণ করা ফরম, ১০টি জয়নিং লেটার, আরভিটা সিকিউরিটি সার্ভিস লি: এর দুইটি ব্যানার, সাতটি বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির সিমকার্ড জব্দ করা হয়।

এসআই আরো বলেন, ভুক্তভোগী মো. রাসেল (১৯), মো. আল-আমিন হোসেন (১৮) ও মো. ফরহাদ (১৮) অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে কুমিল্লার চান্দিনা থেকে কাজের সন্ধানে ঢাকায় চলে আসে ছেলেগুলো। লোভনীয় বেতনে সিকিউরিটি কোম্পানীর সুপার ভাইজার পদে চাকরির জন্য প্রদত্ত বিজ্ঞাপন মোতাবেক পল্লবী থানার “আরভিটা সিকিউরিটি সার্ভিস লি:” এ যোগাযোগ করে তারা। শুরুতেই ভিকটিমদের কাছ থেকে ট্রেনিং, থাকা খাওয়া বাবদ প্রতি জনে চার হাজার টাকা করে নিয়ে নেয় কথিত সিকিউরিটি কোম্পানি। কিন্তু ট্রেনিং তো দূরের কথা একবেলা ঠিকমতো খেতে না পেয়ে ও গাদাগাদি করে কোনরকম রাতযাপন করতে থাকে রাসেলরা। এদিকে চাকরির কোনো খবর নেই। ক্রমশই ধুসর হতে থাকে তারা। অবশেষে বুঝতে পারে তারা প্রতারণার শিকার। পালিয়ে এসে বিস্তারিত জানায় পল্লবী থানায়।

ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, এই প্রতারণার ঘটনা পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের কোর্টে চালান করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রতারক চক্রটি যে টাকা নিয়েছিল, তা উদ্ধার করে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি ওয়াজেদ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin