এক কোটি ২৬ লাখ টাকার প্রাডো গাড়ি হাতিয়ে নিল যুবলীগ ক্যাডার বাবর


সিটি নিউজ ॥ বর্তমান সময়ে ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরে থাকা সুযোগ-সন্ধানী কিছু অসাধু নেতারা তাদের প্রাপ্ত ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের অর্থ সম্পদ ভোগ দখল এবং আত্মসাৎ করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।নিজেদের বিবেক বিসর্জন দিয়ে তারা এই কর্মকান্ড গুলো পড়ছে এবং সমাজের মানুষের কাছে তারা ঘৃণার পাত্র হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে এবং পরবর্তীতে দেখা যাচ্ছে অনেকেই এইসব ঘটনা ঘটিয়ে আইনের আওতায় আসছে এবং তাদের সাজা হচ্ছে কিন্তু এসব দেখেও তারা শিক্ষা নিচ্ছে না চট্টগ্রামে ’কথিত’ যুবলীগ নেতা ওহেলাল আকবর চৌধুরী বাবরের বিরুদ্ধে রেল ঠিকাদারের এক কোটি ২৬ লাখ টাকার প্রাডো গাড়ি সাতের অভিযোগ ওঠেছে। কয়েকদিন ব্যবহারের জন্য নেওয়া গাড়ি ও ব্যবসায়িক লেনদেনের পাওনা কোটি টাকা ফেরত চাওয়ায় ঠিকাদারকে দিয়েছে সী বাবর। এছাড়া বিভিন্ন দিচ্ছে তার শিষ্যরা। ফলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সদরঘাট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মোহাম্মদ শাহ আলম নামের ওই ঠিকাদার। ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহ আলম জিডিতে উল্লেখ করেন, ব্যবসায়িক কারণে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবরের সাথে আমার পরিচয় হয়। সে সুবাধে আর্থিক লেনদেন হয় এবং আমার ব্যবহারের একটি গাড়ি কয়েকদিনের জন্য নেয় বাবর। পরবর্তীতে কারাগারে অমিত মুহুরী হওয়ার পর বাবর দেশের বাহিরে চলে যায়। বর্তমানে দুবাই অবস্থান করছেন। আমি পাওনা টাকা ও গাড়ি ফেরৎ চাইলে সে বিভিন্ন রক দিতে থাকে। গত ৩/৪ দিন ধরে কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে , মিথ্যা, বানোয়াট, ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন পোস্ট দিচ্ছে। যা আমাকে চরম মানহানি ও সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। গত ২২ আগস্ট বিকাল ৫টায় আমার বাসভবনে কিছু অপরিচিত লোক এসে আমাকে দিয়ে বলে, বাবর ভাইয়ের সাথে বিরোধ মীমাংসা করে ফেলতে, না হলে অনেক বড় ক্ষতি হবে। জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, উল্লেখিত ব্যক্তিরা ফেসবুকে মিথ্যা, , বিকৃত পোস্ট আপলোড করতে থাকায় আমি মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছি। একই সঙ্গে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এছাড়া হেলাল আকবর চৌধুরী বাবরের ইশারায় ওই লোকগুলো বিভিন্ন অখ্যাত অনলাইন পোর্টালে মানহানিকর সংবাদ প্রচার করছে, যা প্রচলিত আইন পরিপন্থী। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকের ওই আইডিগুলো পরিচালনা করেন হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, মাহমুদুল করিম, জে এইচ হামিদ হোসেন, লিটন চৌধুরী রিংকু, আনোয়ার পলাশ, জোবায়ের আলম আশিক, মনির ইসলাম, সাইদ আল জাবির, মো. সাইফুল ইসলাম রাজ, সাহিল মিহির ইমন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরঘাট থানার ওসি এসএম ফজলুর রহমান ফারুকী বলেন, শাহ আলম নামের একজন ডকুমেন্টারি একটা জিডি করেছেন। তদন্ত অফিসার সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে। ক্ষমতা মানুষকে তার মনুষ্যত্ব থেকে বিচ্যুত করে দেয় অনেক ক্ষেত্রে। ক্ষমতার মোহে পড়ে মানুষ বিবেকহীন এর মত কাজ করে যা খুবই দুঃখজনক হয়ে থাকে বর্তমান সময়ে ক্ষমতাসীন দলের কিছু অসাধু নেতাকর্মীরা দলের ট্যাগ ব্যবহার করে এবং সেই ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ পড়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এর করাকরি নির্দেশনা দিলেও তাতে যেন কর্তপাত করছে না কেউ তারা তাদের কর্মকান্ড ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin