নগরীর লেচুঁশাহ্ মাজারের তবারক বিতরণ `৬মাস ধরে বন্ধ’ সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ’

রেদওয়ান রানাঃঃ বরিশাল নগরীর লেচুঁশাহ্ মাজারের তবারক বিতরণ দীর্ঘ ৬মাস ধরে বন্ধ। খোজঁ নিয়ে জানা গেছে গত মার্চ মাস থেকেই করোনা প্রর্দূভাবের কারনে দেশ ব্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করে দেয় সরকার। তারই ধারা বাহিকতায় বরিশাল নগরীর গির্জা মহল্লা ঐতিয্য বাহী লেচুঁশাহ মাজার কতৃপক্ষের আয়োজনে প্রতি শুক্রবার সন্ধায় হাজারও ভক্তদের জন্য তৈরি করা হতো খিচুরী,মাগরিবেরর নামাজ শেষে জরো হতে থাকতো শহরের বিভিন্ন ¯’ান থেকে তবারক নিতে আসা ভক্ত গন। প্রতি শুক্রবার তবারক (খিচুরী) তৈরি করতে সর্ব¯’তের মানুষ সহযোগীতাও করতেন তাদের সাধ্য অনুযায়ী। দীর্ঘ দিন এই তবারক বিতরণ বন্ধ থাকায় সাধারন মানুষ ও ভক্তদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার তবারক নিতে আসা এক ভক্ত খিচুরী না পেয়ে তার সহযোগীর সাথে বলতে সোনা যায়, বরিশাল সহ বিভিন্ন ¯’ান থেকে নিজের বা পরিবারের সাধারণ মানুষ সুরক্ষায় এই মাজার শরীফে হাসঁ,মুরগী,ডিম, টাকা পয়সা (মানত) করে,দান বক্স দান করে যায়, আর সেই টাকা দিয়ে সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার খিচুরী রান্না করে মানুষের মধ্যে বিতরণ করতো। করেনা মহামারী শুরু থেকে এখন পর্যন্ত র্দীঘ পাচঁ মাস যাবৎ এখানে কোন তবারক বিতরণ করা হ”েছ না। কেনো? আর মানুষের দান করা টাকা পয়সার কি অব¯’া কেউ যানে না? দানের টাকা ও সাপ্তাহীক তবারক বিতরনের ব্যাপারে নগরীর লেচুঁ শাহ্ মাদ্রাসা কমপ্লেক্স এর খাদিমদার মো: ফারুক জানায় সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার খিচুরী রান্নার খরচ জোগাতে মাজারের দানের টাকার অংশ থেকে ১৩ হাজার ৩শ’ বরাদ্ধ করে থাকে। বাকি টাকা ও মানতকৃত হাসঁ-মুরগী-ছাগল মাদ্রাসার হেফজখানার ৩৫জন ছাত্রদের খাবার খরচ হিসেবে রাখা হয়।

ফারুক আরও বলেন খাদিমদার হিসেবে আমরা মোট ১১জন কাজ করতাম বর্তমানে সবাই বেকার,সাথে দুইজন বাবুর্চি। দান কৃত হাসঁমুরগীর খবর জানকে চাইলে তিনি বলেন সে গুলো মাদ্রাসার ফ্রিজে রাখা আছে। এ-ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানে সুপার মাও. মোকলেছুর রহমান বলেন সাপ্তাহিক তবারক বন্ধ করে দিয়েছে কমিটির নেতৃবৃন্দ ,মাজারের দানের টাকা শিক্ষকদের বেতন ও হেফজখানা ছাত্রদের খাবারে ব্যাব¯’া করতে হয়। করোনার আগে দান বাক্সে মাসে প্রায় ৫লক্ষ টাকা অনুদান পাওয়া যেতো।

করোনা কালিন সময় ধরে দানের পরিমান কমে দাড়িয়েছে এখন মাসে সাড়ে তিন লক্ষ টাকায় শিক্ষক কেয়ারটেকার সহ প্রায় ৩০জন স্টাফ মাদ্রাসায় কর্মরত এখন তাদের বেতন দিতেই হিমসিম খেতে হ”েছ। তার পরও কমিটির সভাপতি/সম্পাদক সিদ্ধান্ত নিলে আবারও তবারক (খিচুরী) খাওনোর চেস্টা করা হবে। গীর্জা মহল্লা এলাকার ফুটপাতের এক ব্যাবসায়ীসহ অধিকংশ দোকানী অভিযোগ করে বলেন দানে টাকায় আগের মতই সিন্ধুক ভরে যায়,কিš‘ সপ্তাহে একদিন গরীবকে খাওয়াতে কস্ট হয় তাদের। গরীর ঠকিয়ে সব বড়লোকের পেটে ভরছে দানের দেশী হাসঁ-মুরগী-ছাগলসহ নানন খাবার। এখন এর সমাধানে দরকার প্রশাসনের হ¯’ক্ষেপ।

(ভারপ্রাপ্ত) সাধারন সম্পাদক মো: আনোয়ারুল হক তারিন বলেন করোনা কালিন সময় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবারক বিতরনে অনেক মানুষের সমগম ঘটে তাই স্বা¯’্য বিধি লংঘন হতে পারে এই কথা চিন্তা থেকেই সাপ্তাহিক তবারক বিতরন কার্যকম বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিবেশ শান্ত বা স্বাভাবিক হলে তবারক (খিচুরী) বিতরন করা হবে ইন শাহ-আল্লাহ্।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin