লটারিতে সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি : শিক্ষামন্ত্রী

সিটি নিউজ ডেস্ক:: সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ বছর ক্যাচমেন্ট এরিয়া (বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা) ৪০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ করা হবে। ক্লাস্টারভিত্তিক ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিতে পাঁচটি স্কুল নির্বাচন করতে পারবে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে লটারিতে ভর্তি এবং দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্ষেত্রে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সকলস্তরে লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে ঢাকা মহানগরীর আগের ৪০ শতাংশ ক্যাচমেন্ট এরিয়া পরিবর্তন করে ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে। আগে ক্লাস্টারভিত্তিক একটি স্কুলে আবেদন করার সুযোগ থাকলেও সেটি পাঁচটি করে পছন্দের স্কুল নির্বাচন করা যাবে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘এ বছর স্কুল ভর্তির জন্য তিনটি বিকল্প পদ্ধতি চিন্তা করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রথমটি আগের মত শিক্ষার্থীদের স্কুলে এনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা। দ্বিতীয়টি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা এবং তৃতীয়টি ভর্তি বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুলে এনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন বলে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়া হবে। ইতিমধ্যে ভর্তির সময় চলে এসেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে তিনটি বিকল্প থেকে একটি বেছে নেয়া হয়েছে।’

এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক, বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin