বরিশালের গ্রামের বাড়িতে ন্যাশনাল ব্যাংক কর্মকর্তা জালাল মৃধার কুলখানি অনুষ্ঠিত

মোঃ শহিদুল ইসলাম :: বাংলাদেশ ন্যাশনাল ব্যাংক ঝালকাঠি শাখার ম্যানেজার ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন আহমেদ মৃধার কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় মরহুমের গ্রামের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার ৯ নম্বর টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড গ্রামের বাড়িতে জালাল মৃধার কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় চরকেউটিয়া জামে মসজিদে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এর পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় তিন হাজার আগত মেহমানদের দুপুরের খাবার খাওয়ানো হয়।


এসময় উপস্থিত ছিলেন- ইউপি চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক, আইনজীবী, ইউপি সদস্য ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

এই অঞ্চলের কৃতি সন্তান জালাল উদ্দিনের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত গোটা ইউনিয়নবাসি ও ন্যাশনাল ব্যাংক পরিবার। মরহুমের প্রতি শোক প্রকাশে গত মঙ্গলবার থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীরা কালো ব্যাজ পরিধান করে প্রিয় মানুষটির মৃত্যুতে শোক পালন করেন।

এছাড়াও ব্যাংকের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, ঝালকাঠি শাখার ন্যাশনাল ব্যাংক ম্যানেজার এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন আহমেদ (৬০) গত ২২ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) দুপুর তিনটার দিকে কর্মরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

মেডিকেল সুত্রে জানা যায়, জালাল উদ্দিন তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। পরদিন মঙ্গবার বাদ যোহর মরহুমের গ্রামের বাড়িতে নামাজে জানাজার পর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন আহমেদ (মৃধা) তিনি বরিশাল সদর উপজেলার ৯ নম্বর ইউনিয়নের চরকেটিয়া গ্রামের এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত্যু বেলায়েত আলী মৃধা। ২০ জন ভাই বোনের মধ্যে জালাল মৃধা ছিলেন ৪র্থ। তিনি ছিলেন ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সদালাপি, মেধাবী, নিষ্ঠাবান, পরোপকারী, আদর্শবান, সৎ ও পরিশ্রমী। এছাড়াও তিনি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ছিলেন, নিজ এলাকায় একজন অভিভাবক হিসেবে সবার মধ্যমনিতে পরিনত হন। সর্বপুরি মানুষ হিসেবে জালাল উদ্দিন আহমেদ ছিলেন টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নবাসির স্বপ্ন। এমনকি চাকরি জীবনেও রয়েছে তার সুনাম। বেঁচে থাকলে আর একটি বছর পরই হয়তো চাকরি জীবন থেকে ইতি টানতে হতো।

এমতাবস্থায়, তাকে হারিয়ে বাকরূদ্ধ আমি আমরা সবাই, একটি কথা একটি লাইন সব সময় বলে যাবো, হে মহান আল্লাহ আপনি তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন (আমিন)।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin