কাশিপুরে ১০টাকা দরের চাল বিক্রীতে অনিয়ম পায়নী খাদ্য অফিসার, সন্তস্ট সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্দ্যোগের একটি ১০টাকা দরের চাল বিক্রী চলছে, পবিত্র মাহে রমজান ও চলমান লকডাউনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ডগুলোতে ডিলারের মাধ্যমে সরকারের এই বিশেষ উপহার পৌছে দেয়া হচ্ছে ঘরে ঘরে। বরিশাল সদর উপজেলার ২নং কাশিপুর ইউনিয়নে এমনি একটি প্রতিস্ঠান মেসার্স মেমী এন্টারপ্রাইজ প্রোপাইটর,যার অধিনস্থ ৫৯১টি কার্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। যাদের একটি কার্ডের বিপরিতে ৩০কেজি করে চাল পায় প্রতিটি কার্ডধারী।

তাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:মুনিবুর রহমান বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন,অভিযোগ পত্রে কাশিপুর ইউনিয়নের স্থানীয় ডিলার মেসার্স মেমী এন্টারপ্রাইজ,প্রোপাইটর মো:কবির আহমেদ (পোষা)তার প্রতিস্ঠান কতৃক জনগনের প্রাপ্প ৩০কেজি চাল দিচ্ছে না। এটা শুনে তাৎক্ষনিক উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জিএম শফিকুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠায় তিনি এসে ভোক্তাদের সাথে কথা বলে এবং বিভিন্নদিক খোঁজ খবর নিয়ে অভিযোগের কোনো সত্যতা খুঁজে না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চত করেন।

এ ব্যাপারে মেসার্স মেমী এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর মো:কবির আহমেদ (পোষা) বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:মুনিবুর রহমান স্যারের নির্দেশে খাদ্য কর্মকর্তা এখানে এসে সব কিছু দেখে সন্তষ্টো,তিনি সকলের সামনে নিজের কয়েক জনলোকের চাল ওজন দিয়ে দেখেছেন। আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ এই উপহার ১০টাকা দরের চাল যা কি না তার নির্বাচনী ইশতেহার, সেই উপহার সাধারন মানুষের মাঝে পৌছে দিতে পারাটাই আমার সৌভাগ্য। কম দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন সামান্য কিছু কম হতে পারে কারন অনেক সময় চালের বস্তা চেরা ফাটার কারনে প্রতিটি বোস্তায় দু-চাঁর কেজি করে কম আসে সেটা পোশাতেই গ্রাহকদের ৩০ কেজির জায়গায় একটুকম হতে পারে সেটা সবাই জানে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:মুনিবুর রহমান জানায় অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে খাদ্য কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি।সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin