লঞ্চ কলম্যানদের পাশে থাকার আশ্বাস উপজেলা চেয়ারম্যান রিন্টুর

রেদওয়ান রানা :: করোনা মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা বা সংক্রামন ঠেকাতে সাশাদেশে চলছে এক সপ্তাহ ব্যাপী সকল গনপরিবহন চলাচলের উপরে নিশেজ্ঞা এর অন্যতম একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ। তাদের কাজ হলো বরিশাল নদী বন্দর এলাকায় লঞ্চে যাত্রী উঠানোর কাজে চুক্তি ভিত্তিক হিসেবে নিয়োজিত ছিলো প্রায় ১৫০জন।যাদেরকে কলম্যান হিসেবে চেনে সবাই। তাদের প্রতিদিনের আয় ১৮০ টাকা থেকে২০০টাকা পর্যন্ত।এই করোনা মহামারীর কারনে আজ তারা সবাই বেকার হয়ে মানবেতর জিবন যাপন করছে। তাদের গত ১৬দিন যাবৎ লকডানে বন্ধ রয়েছে সব লঞ্চ চলাচল। এব্যাপারে একজন কলম্যানের সাথে কথা বল্লে তিনি জানায় ১৬দিন ধরে বেকার অবস্থায় আমরা দের শ পরিবার এখন পর্যন্ত কারও কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগীতাও পাইনি। এর মধ্যে রমজান মাস শুরু গেছে সামনে আসছে ঈদ এখনি যদি কেউ আমাদের কাছে সহোযগীতার হাত বারিয়ে না দেয় তাহলে পথে বসে ভিক্ষা করা ছাড়া কোনো উপায় নাই বলে জানায় কলম্যান জুয়েল মোল্লা। তিনি আরো বলেন আমাদের এই দূঃসময়ে বরিশালের সকলের অভিভাবক মাননীয় মেয়র ও জেলা প্রশাসক এবং লঞ্চ মাল স্যারের দৃষ্টি আমাদের উপরে পরে তাহলে আমাদের এই দেরশতাধীক পরিবার খেয়ে পরে বাচতে পারবে। এ বিষয়ে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সহ- সভাপতি ও সুন্দরবন নেভিকেশন এর মালিক এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাঈদুর রহমান রিন্টু বলেন আপাতত আমার ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে তাদের তালিকা করে সহযোগীতা করার উদ্দ্যোগ নিয়েছি,পাশাপাশি মালিক সমিতির মাধ্যমেও তাদের জন্য আরও কি করা যায় তা নিয়েও নেতৃবৃন্দদের সাথে কথা বলবো যাতে করে অতিদ্রুত সম্ভব কলম্যানদের সহযোগীতা মাধ্যমে ওদের পাশে থাকা যায়।লঞ্চ কলম্যানদের পাশে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin