ঈদে ছাড়া যাবে না কর্মক্ষেত্র-জনপ্রশাসন সচিব

সিটি নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়ানোয় বিধিনিষেধের মধ্যে কাটবে এবারের ঈদুল ফিতর। সেই সঙ্গে বাড়তি কোনো ছুটি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্র ছেড়ে যেতে পারবেন না সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা। ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউনের সময়সীমা বাড়িয়ে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদের ছুটিতে আবশ্যিকভাবে স্ব-স্ব কর্মস্থলে (অধিক্ষেত্রে) অবস্থান করবেন।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটা তো আগেও ছিল, আমাদের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য। বেসরকারি অফিসে যারা কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে হলো যে, তারা ঈদে বাড়ি যেতে পারবে না। তাদের কর্মস্থলে থাকতে হবে।’ ঈদের আগ পর্যন্ত সরকারি অফিসগুলো আগের নিয়মে চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ যে অফিসগুলো সেগুলো খোলা থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে। আগে যে শর্তাবলি ছিল, এবারও তা রাখা হয়েছে।’ এবার ঈদের ছুটির তিন দিনের দুই দিন পড়ছে শুক্র ও শনিবার। অপর দিনটি বৃহস্পতিবার। তাই এবার ঈদে ছুটি নেই বললেই চলে। এর মধ্যেও কোনো সরকারি অফিসে কর্মরত কাউকে কোনো বাড়তি ছুটি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৎ

এ বিষয়ে সারা দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা দেয়া আছে বলেও জানান শেখ ইউসুফ হারুন। তিনি বলেন, ‘ক্যাবিনেট থেকে যে সার্কুলার দেয়া আছে, ঈদে বাড়িঘরে যাওয়া যাবে না। সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে পালন করতে হবে। কেউ যেন ঈদে বাড়ি না যায়, কাউকে যেন ঈদে বাড়তি কোনো ছুটি দেয়া না হয়।’ মাঠ প্রশাসনের প্রতি বিশেষ কোনো নির্দেশনা আছে কি না, জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের প্রশাসনের অফিস সব সময় খোলা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা, যে সমস্ত বড় প্রকল্প রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে স্টেশনে থেকে।’ এ ছাড়া সরকার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করাতে সরকারের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।সুত্র,নিউজবাংলা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin