সিটি নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন।
বুধবার (১৯ মে) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতির জন্যই আগামী বাজেটেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকবে। নতুন বাজেট হবে করোনা মোকাবেলা করে এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ের বাজেট। আগামী বাজেট হবে সাধারণ মানুষের বাজেট।’
মন্ত্রী বলেন, ‘কালো টাকা সাদা করার বিদ্যমান সুযোগটি আমরা অব্যাহত রাখব। যতদিন দেশের অর্থনীতিতে অপ্রদর্শিত অর্থ থাকবে, ততদিন এ সুযোগ দেয়া হবে।’
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একে চাঙ্গা করতে চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) জমি, ফ্ল্যাট, ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা, নগদ টাকা ও শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন খাতে ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয় সরকার।
এই সুযোগ দেয়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী সংসদে বলেছিলেন, ‘করোনাভাইরাসজনিত চলমান সংকটের কারণে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হওয়ায় আমাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে কার্যকর চাহিদা সৃষ্টি করা আবশ্যক। এ জন্য অর্থনীতির মূল স্রোতে টাকা প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পয়লা জুলাই ২০২০ থেকে ৩০ জুন ২০২১ সাল পর্যন্ত উল্লিখিত খাতসমূহে ১০ শতাংশ হারে কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ (কালো টাকা) সাদা করা যাবে। এ জন্য কেউই কোনো ধরনের প্রশ্ন করবে না।’
অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের ভেতরে অনেকের কাছে প্রচুর অপ্রদর্শিত টাকা আছে। প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ টাকা দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এসব অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ দিলে একদিকে বিপুল পরিমাণ টাকা দেশের অর্থনীতির মূল ধারায় আসবে, পাশাপাশি দেশ থেকে টাকা পাচার কমবে।’





