বিকশিত হোকসোমার জীবন-সাজ্জাদ পারভেজ

অঞ্জন ও সোমা’র যখন বিয়ে হয়, ছেলেটির বয়স বোধ হয় ২৩-২৪। আর মেয়েটির বড় জোর ১৯ ৷ ওদেরকে দেখলে মনে হতো স্কুল পালানো কিশোর-কিশোরী….দেখতে দেখতে একটি দুটি করে কেটে গেছে ০৮ বছর । ঘড়ে এলো ফুটফুটে দুটি সন্তান… এক ছেলে এবং এক মেয়ে… কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস –এখন দু’জন দু’ভবনের বাসিন্দা, আদালত চত্বরে দেখা হয় মাঝে মাঝে….হতদরিদ্র মা তাদের এক মাত্র বাঁচার অবলম্বন…তবে মেয়েটির চোখে ছিল যোদ্ধার আগুন। সন্তান দুটো তার বেঁচে থাকার সঞ্জীবনী। একটু বাড়তি আয়ের জন্য মানুষের বাসায় গিয়ে সেলাইয়ের কাজ শিখেছে মেয়েটি এবং রপ্ত করেছে ভালোভাবেই ….সেলাইয়ের অর্ডার পাচ্ছে নিজ এলাকায় ..কিনতু নিজের না থাকায় প্রতিনিয়ত কথা শুনতে হয় তাকে. সোমার এ বিষয় নিয়ে আলাপ করেছিলাম জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দীন হায়দার মহোদয়ের সাথে.. তিনি তাঁর বন্ধু মিজানের সহায়তা’য় হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং স্যার নিজেই মেয়েটির হাতে একটি সেলাইয়ের মেসিন তুলে দিয়েছিলেন,, করোনা যেখানে জীবন চলার পথকে পদে পদে বাঁধা গ্রস্থ করলেও ওর ক্ষেত্রে সেটি হয় নি,,, আমি আমার অফিসের জন্য মাস্ক তৈরী করেছি শুধু নয় বৃহত্তর পরিবারের জামা কাপড় তৈরী করেছি ওর কাছ থেকে…. পূর্ণতার পরশে বিকশিত হোকসোমার জীবন- এ প্রত্যাশায়…..

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin