বৃহস্পতিবার থেকে শিথিল, ২৩ জুলাই থেকে ফের লকডাউন!

সিটি নিউজ ডেস্ক ‍॥ করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে আগমী ১৪ জুলাইয়ের পরও লকডাউন থাকতে পারে। তবে ঈদ এবং অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে কিছুটা শৈথিল্য থাকতে পারে। এরমধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুরহাট বসানো, শপিংমল খুলে দেওয়া এবং সিটি করপোরেশন ও জেলার ভেতর বাস চলার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এজন্য ১৫ জুলাই থেকে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল করা হতে পারে লকডাউন।  তবে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর লকডাউন দেয়া হবে বলে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। 

আসন্ন ঈদ সামনে রেখে চলমান বিধি-নিষেধের বিষয়ে সোমবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে জানিয়ে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, পরদিন মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) এসব নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন রবিবার (১১ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ১৪ জুলাইয়ের পর চলমান বিধিনিষেধ আবারও বাড়তে পারে, আমরা সেদিকেই গুরুত্ব দিচ্ছি।

তিনি বলেন, যে সংক্রমণ পরিস্থিতি, সেটি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নের দিকেই সরকার বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সংক্রমণ এবার এমনভাবে ছড়িয়েছে, সেটা খুবই আশঙ্কাজনক। ১৪ তারিখের পরের সময়ও আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা এ সংক্রমণ কমাতে চাই, তাহলে এ প্রক্রিয়া কিন্তু অব্যাহত রাখতে হবে বিভিন্ন পর্যায়ে।

অনলাইনে গরু কেনাবেচায় গুরুত্ব দেওয়া হলেও কোরবানির পশুরহাট কীভাবে বসবে তা নিয়ে মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

কোরবানির হাট বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু ঈদ এবং কোরবানির হাট আছে, এ দু’টি কীভাবে করলে সংক্রমণটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। হাটগুলো যাতে নিরাপদ জায়গায় হয়, যেখানে তিনটি গেট থাকতে পারে। একটি দিয়ে ক্রেতারা ঢুকবেন, তারা পশু কিনে নিয়ে আসবেন। আরেকটি দিয়ে পশু ঢোকানো হবে। যাতে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রেতা সেখানে ঢোকে এবং স্বাস্থ্যবিধি তারা মেনে চলে। সংক্রমণ ও মৃত্যু, সেটি মাথায় রেখেই হাটে আসতে হবে।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে কঠোর বিধিনিষেধ ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়িয়ে গত ৫ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin