শেবাচিমে স্থাপন করা হয়েছে ১৬ হাজার লিটারের দুইটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক

রয়েছে ৫১৭টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ॥ সংকট নেই

শিকদার মাহাবুব ॥ বরিশাল বিভাগে অতিরিক্ত করোনা রোগীর চাপ সামলাতে ১০ হাজার লিটারের ও ৬ হাজার লিটারের দুইটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক বসানো হয়েছে। অবস্থা আরও বেগতিক হলে পাশাপাশি  বোতলজাত ৫১৭টি অক্সিজেন সিলিন্ডার স্পেপশাল হিসেবে রাখা হয়েছে । মোট ১৬ হাজার লিটারের দুইটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক ও বোতলজাত ৫১৭টি অক্সিজেন সিলিন্ডার করোনা রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

এর মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ  (শেবামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের জন্য একটি ১০ হাজার লিটারের সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক রয়েছে। বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার জন্য আরও বোতলজাত ৪৩৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার হাতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে শেবামেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এস.এম. মনিরুজ্জামান জানান, ‘আমাদের হাতে একটি ১০ হাজার লিটারের সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক রয়েছে।

বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার জন্য বোতলজাত আরও ৪৩৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার হাতে রাখা হয়েছে। আশা করছি করোনার বেগ সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।’ তবে শেবামেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন,“এক কথায় আমি বলবো বর্তমানে আমার হাসপাতালে অক্সিজেনের উৎপাদন ও সরবরাহে কোনো সঙ্কট নেই।

এদিকে গতকাল বরিশাল সদর হাসপাতালে ২২ শয্যার একটি করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে। করোনা রোগীদের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে আলাদাভাবে ৬ হাজার লিটারের একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক বসানো হয়েছে। এ ছাড়াও করোনা রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার জন্য বোতলজাত ৮৩টি অক্সিজেন সিলিন্ডার স্পেপশাল হিসেবে হাতে রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি  বরিশাল বিভাগে করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ার আগাম বার্তা পাওয়ায় এমন বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।। তবে ৬ হাজার লিটারের এই ট্যাংক কত জন করোনা রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে তার কোন ধারনা দিতে পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, “করোনা রোগীদের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে ৬ হাজার লিটারের একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন ট্যাংক বসানো হয়েছে।

এ ছাড়াও করোনা রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দেওয়ার জন্য বোতলজাত ৮৩টি অক্সিজেন সিলিন্ডার স্পেপশাল হিসেবে হাতে রাখা হয়েছে।” সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মলয় কৃষ্ণ বড়াল জানান, ‘৬ হাজার লিটারের অক্সিজেন একটি ট্যাংক থাকলেও আমরা আরও বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। ৬ হাজার লিটারের ওই অক্সিজেন ট্যাংক কোনরকম বিকল হয়ে পড়লে তাতক্ষনাত ২০ লিটারের অক্সিজেন সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে।’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin