সদর হাসপাতালে চলবে শুধু করোনার চিকিৎসা

সিটি নিউজ ডেস্ক ‍॥ করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে চূড়ান্ত হয়েছে বরিশাল সদর (জেনারেল) হাসপাতাল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল বাশার মো. খোরশেদ আলম এ সংক্রান্ত অনুমোদন দিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করেছেন। খুব দ্রুত সময়ে শতভাগ করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে বরিশাল সদর হাসপাতালের আতœপ্রকাশ করার বিষয়টি এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। অনুমোদন প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডাঃ মোঃ ফরিদ হোসেন মিয়া।

গতকাল শনিবার বিকেলে আজকের পরিবর্তনকে এসব কথা জানান। তিনি বলেন, কার্যক্রম শুরু করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জনকে নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে। পরিচালক ডাঃ ফরিদ হোসেন মিয়া বলেন, শতভাগ করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে পরিচালনা করার অনুমতি চেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে আবেদন করেছিলো তাতে মহা পরিচালক চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন।

যা ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করা হয়েছে। আশা করছি চলতি সপ্তাহেই মন্ত্রনালয় যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। তিনি আরো বলেন বর্তমানে হাসপাতালে জনবলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে তাতে কার্যক্রম শুরু করা যায়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৫ টি আইসিইউসহ সংশ্লিষ্ট মেশিনারিজ চেয়েছেন তা প্রদানের জন্যও সর্বাতœক চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি তাও দিতে পারব।


জানতে চাইলে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, অধিদপ্তরে করা আবেদন গৃহীত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একই সাথে প্রস্তুতিও নিতেও নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।


প্রসঙ্গত.বরিশালে করোনা রোগীর চাপ সামলাতে ও স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে সদর হাসপাতালকে শতভাগ করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন দিতে গত সপ্তাহে অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দ্রুত সময়ে সাড়া দিয়ে যে আবেদন মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করেছে অধিদপ্তর।
জানা গেছে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদিত হয়ে আসলে হাসপাতালের বহি.বিভাগ ছাড়া অন্যান্য চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখা হবে। ডায়রিয়াসহ অন্যান্য সকল রোগীদের শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
জেলা সিভিল সার্জন বলেন, যেহেতু ১’শ শয্যার হাসপাতাল তাই আমরা করোনা ডেডিকেটেড হিসাবেও একশ’ শয্যাই চালু রাখব। তবে ৮০ জন রোগীকে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সুবিধা দেওয়া সম্ভব হবে। বাকি ২০ জনকে দেওয়া হবে সিলিন্ডার ব্যবস্থার মাধ্যমে। ঈদের আগে কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হলে বরিশালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় একটি নতুন দিগের উন্মোচন ঘটবে বলেও জানান তিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin