সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমপি সৈয়দা রুবিনা মিরা

খবর বিজ্ঞপ্তি:: এ্যাডভোকেট সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা-এমপি, সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি । তিনি তার ফেইসবুক আইডিতে সকলের উদ্দ্যেসে লিখেছেন,”ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন ঘরে বসে”সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক আমাদের মুসলিমদের জন্য ঈদ আসে ভিন্ন এক আঙ্গিকে। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার এক অনুপম শিক্ষা দেয় ঈদ। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে ধনী-গরীব সকলের মাঝে। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এদিন ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয় মানুষ।এদিন মুসলিমদের মধ্যে আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ, সংযম ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরি হয়। লোভ-লালসা-অহংকার ভুলে সবাই নিজের মনের পশুকে হত্যা করে আল্লাহ’র নামে।কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাবে গত কয়েকটি ঈদের মতো এবারও আমাদের ঈদ পালন করতে হবে পরিবার পরিজন নিয়ে যতটা সম্ভব গণজমায়েত এড়িয়ে।

করোনা ভাইরাস পুরো পৃথিবীর মতো আমাদের জীবনকেও স্থবির করে দিয়েছে। এই অদৃশ্য জীবনঘাতি ভাইরাস আমাদের আপনজনদের কেড়ে নিচ্ছে আমাদের থেকে। তাই আমরা যেন করোনা ভাইরাসের বাহকে পরিণত না হই সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। ঈদের আনন্দ যেন আমাদের পরিবার,সমাজ ও সর্বোপরি দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে না যায় এদিকে সুদৃষ্টি রাখতে হবে আমাদের। আমাদের পুলিশ, ডাক্তার, নার্স, আর্মি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী দিনরাত এই মহামারির মধ্যে আমাদের জীবন বাঁচাতে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার করোনা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে কাজ করে যাচ্ছে।

অন্য অনেক উন্নত দেশের তুলনায় আমাদের সরকার দেশের মানুষকে বিনামূল্যে টিকা প্রদান করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তাভাবনার জন্যই এতো দ্রুত ও সহজে বাংলাদেশের জনগণকে টিকা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে পারবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ সহ অন্যান্য সংগঠন দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মানুষকে খাদ্য সরবরাহ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই মহামারির মধ্যেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এদেশের কেউ যেন খাদ্য সংকটে না ভোগে এজন্য সরকার “৩৩৩” সেবা প্রদান করেছে। কারো খাবারের প্রয়োজন হলে এখানে ফোন দিয়ে খাদ্য উপহার পাবে জনগণ। এতো কিছুর পরে আমাদের প্রয়োজন একটু সচেতনতা।

এবারের ঈদ একটু সচেতনভাবে পালন করলে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আমরা আগামী ঈদ পরিবার পরিজন নিয়ে পালন করতে পারব। নতুবা আমাদের জন্যই আমরা হয়তো পরিবারের কাউকে হারাবো। আমাদের সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এবারের ঈদে আমরা যেন বনের পশুর পাশাপাশি আমাদের মনের পশুকেও আল্লাহ’র নামে কুরবানির দিন এই কামনা করি আল্লাহর কাছে।কুরবানির মর্ম অনুবাধন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে সকলে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তুলতে পারি।আমাদের পরিবার-পরিজন, দেশ ও দেশের বাইরের সকলকে যেন আল্লাহ হেফাজত করেন। এই মহামরি থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন আমাদের মুক্ত করে দেন। আমিন। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু, জয় শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin