উৎসাহ উদ্দীপনা ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে ২৮ নং ওয়ার্ড’র উপ-নির্বাচন সম্পন

তুয়ার হোসেন তুহিন।। উৎসাহ উদ্দীপনা ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে ২৮ নং ওয়ার্ড উপ-নির্বাচন সম্পন। বরিশাল নগরীর ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে উপ-নির্বাচনে নির্বাচনী সহিংসতায় সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৩ জন। আজ (৭ সেপ্টেম্বর)বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ড কাশিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১ জনকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া অপর দু’জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়। ইভিএমের মাধ্যমে ৩টি কেন্দ্রে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ।
নির্বাচনে মোট ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন- ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে জাহিদ হোসেন, ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে হুমায়ন কবির এবং লাটিম প্রতীক নিয়ে সৈয়দ গোলাম কবির মামুন।

স্থানীয়রা জানান, ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় লাটিম প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ গোলাম কবির মামুনের পরাজিত হওয়ার গুঞ্জন ওঠে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এক পর্যায় তারা জাহিদ হোসেনের ঘুড়ি প্রতীকের এক সমর্থককে বেদম মারধর করেন। তারা সেনটারিং ও বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন নুরুল হক ও মামুনের ওই সমর্থককে।

ঘটনার ভিডিও ধারণ এবং ছবি তোলা সময় গোলাম কবির মামুনের সমর্থকরা চড়াও হন দুই সংবাদকর্মীর উপর। সেনটারিং এর কাঠ দিয়ে মারধর করে ছিনিয়ে নেন রিপন এবং সবুজ’র ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল হ্যান্ড সেট। এসময় স্থানীয়রা আহত সাংবাদকর্মীকে উদ্ধার করেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

মারধরের শিকার ঘুড়ি প্রতীকের সমর্থককে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ওসি কমলেস চন্দ্র হালদার জানান, তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। মারধরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের চিহ্নিতের চেষ্টা অব্যাহত আছে। দোষীদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মামলা হয়নি বলে জানান তিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin