ববি প্রতিনিধি, মোঃ তারিকুল ইসলাম আরিফ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে অবিভক্ত বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শের-ই-বাংলা এ.কে ফজলুল হকের ১৪৮ তম জন্মশতবার্ষিকী। আজ (২৬শে অক্টোবর), মঙ্গলবার ববি’ র শেরে বাংলা হলের টিভি রুমে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে অবিভক্ত বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শের-ই-বাংলা এ.কে ফজলুল হকের ১৪৮ তম জন্মশতবার্ষিকী। তাঁর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ববি’ তে জাঁকজমকপূর্ণ এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট আবু জাফর মিয়া, বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট আরিফ হেসেন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ক্যামেলিয়া খাঁন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আঃ বাতেন চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর কায়সার ও সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কমিটির ও শিক্ষক সমিতির সদস্যবৃন্দ। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ মুহাসিন উদ্দীন বলেন, শের-ই-বাংলার হাত ধরেই ভারবর্ষে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হয়েছিলো। এছাড়া চাকরিক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ১ দিনের ছুটিসহ নানা অবদান তিনি রেখেছেন। অথচ এই মহান ব্যক্তিকে নিয়ে কোনো অথেন্টিক বই নেই। এবিষয়ে তিনি আরও বলেন,আমার শিক্ষার্থীদের কাছে আবেদন থাকবে তারা যেনো শেরে-ই-বাংলাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরণের বই লিখে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, আমি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর আমার লক্ষ্য ছিলো প্রতিটি হল যাদের নামকরণে করা হয়েছে তাদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।সারা ভারতবর্ষে শের-ই-বাংলা এ. কে ফজলুল হকের মতো অস্প্রাদায়িক নেতা খুব কমই ছিলো। তাকে নিয়ে গবেষণা করার জন্য আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমার শিক্ষার্থীদের কাছে আহবান থাকবে।





