বরিশাল শের ই বাংলা হাসপাতালে দুই চিকিৎসকের হাতাহাতি !

শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই চিকিৎসকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ::  বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী পরিচালক ও উপ অধ্যক্ষর মধ্যে হাতাহতির  ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।সরজমিনে, বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় এর আসল চিত্র।দুই চিকিৎসকের হাতাহাতির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শেবাচিমের প্রশাসনিক এলাকা।

মোতায়ন করা হয় অতিরিক্ত আনসার সদস্য।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১ টার দিকে পরিচালকের কার্যালয়ে  চিকিৎসকদের  মিটিং চলাকালে সহকারি পরিচালক রেজওয়ানুল আলম রায়হান ওই মিটিং এ সিনিয়র চিকিৎসকদের অনিয়মের কথা তুলে ধরলে ক্ষিপ্ত হয় সিনিয়র চিকিৎসক উপ অধ্যক্ষ ও সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রদান অধ্যাপক ডাঃ নাজিমুল হক। জানা গেছে, হাসপাতালে বিভাগীয় প্রধান চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক ও নিয়ম রয়েছে।বিশেষ করে রোগী দেখার ক্ষেত্রে তাদের অনিয়মের কোন অন্ত নেই।

এদিকে হাসপাতালে সহকারী পরিচালক ডাক্তার রেজাওয়ানুল আলম রায়হান সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই অনিয়মের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। আর এ কারণেই সিনিয়র চিকিৎসক থেক শুরু করে হাসপাতালের বিভিন্ন দুর্নীতিবাদের রোশনালে পড়েছে সহকারী পরিচালক ডাক্তার রেজওয়ানুল আলম রায়হান।

আজ পরিচালকের কার্যালয় মিটিং চলাকালীন সময়ে সহকারি পরিচালক হাসপাতালে বিভাগীয় প্রধানদের কর্ম ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে তুলে ধরলে ক্ষিপ্ত হয় উপ অধ্যক্ষ ও সার্জারি ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ নাজিমুল হক।   এ সময় সরকারি পরিচালক ডাক্তার রেজওয়ানুল আলম রায়হানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করলে  দুজনার মধ্যে বেজে যায় বাগ বিতন্দ্রতা  ও শেষ পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ এস এম সাইফুল ইসলাম,উপ-পরিচালক ডাঃ মনিরুজ্জামান শাহিন অন্যান্য চিকিৎসকেরা। এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাক্তার রেজওয়ানুল আলম রায়হানের সাথে আলাপকালে তিনি সাংবাদিকদের জানায়,মিটিং চলাকালীন সময়ে তিনি বিভাগীয় প্রধানরা ঠিকমত ডিউটিতে আসে না বিষয়টি বললে ক্ষিপ্ত হয় ডাঃ নাজিমুল হক।এ সময় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে  হামলার উদ্দেশ্যে তেরে আসে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার এস এম সাইফুল ইসলামের সাথে আলাপকালে তিনি জানায় এটা তেমন কোন বিষয় না সামান্য একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এটা তার কার্যালায় বসেই উভয়ের মধ্যে সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।তবে হাসপাতালে বিভাগীয় প্রধানরা বিকালে কেন আসে না এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতাল পরিচালক বিষয়টি এড়িয়ে যায়। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin