সিটি নিউজ ডেস্ক ।। ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসির) স্পেশাল বাস সার্ভিস। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালের উদ্দেশ্য ছেড়ে যাচ্ছে বিআরটিসি বাস। ভোগান্তি ও ভাড়া কম হওয়াই বরিশালের যাত্রীরা বিআরটিসিতেই চড়ছেন। বরিশালের পথে যে কোনো স্থানেই নামলে ভাড়া ৭০০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১৬টি বিআরটিসি ডাবল-ডেকার বাস বরিশালের উদ্দেশ্য ছেড়ে গেছে। যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, যেখানে অন্য সব বাসে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা ভাড়া, সেখানে বিআরটিসি ডাবল-ডেকার বাস মাত্র ৭০০ টাকা ভাড়া।
বরিশালের যাত্রী আলামিন বলেন, যে কোনো বাসে আমরা কথা বলেছি, ভাড়া ১ হাজার টাকা তার কমে হবে না। কিন্তু আমাদের বরিশালের নিয়মিত ভাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। আজ আড়াই থেকে ৩০০ টাকা বেশি ভাড়া চায় যে কোনো বাসে। তুলনামূলক বিআরটিসির বাসে কম ভাড়া।
পরিবারের সবার সঙ্গে বিআরটিসি বাসে চড়ে যাচ্ছেন গোপালগঞ্জের টেকেরহাটের রাহাত। তিনি বলেন, টেকেরহাটের ভাড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা হলেও ঈদ উপলক্ষে ৭০০ টাকা ভাড়া খুব বেশি মনে হচ্ছে না। কিন্তু আগের ঈদেও ঢাকা থেকে এখানের (টেকের হাটের) ঈদের ভাড়া কম করে হলেও এক হাজার টাকা দিতে হতো। এখনতো ৩০০ টাকা কম আছে।
বিআরটিসি বাস ডিপোর কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আজ থেকে যাত্রাবাড়ী থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসির) বাসের ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু হচ্ছে। চলবে ঈদের দিন ও তার পর আরও দুই দিন পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রতি ২০ মিনিট বা বাসের ৭৫ সিট পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস ছেড়ে যাচ্ছে। আমাদের বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ভাড়া ৭০০ টাকা। সিটের অতিরিক্ত কোনো যাত্রী দাঁড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে না।
এবারের ঈদযাত্রায় নিয়মিত বাস রুটের বাইরে প্রায় ৬৫০টি বাস ‘ঈদ স্পেশাল সার্ভিস’ চলাচল করবে। গত ২৪ মে থেকে বিআরটিসির সংশ্লিষ্ট ডিপো থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
সোমবার (২ জুন) রাজধানীর মতিঝিলের বিআরটিসির প্রধান কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা সভার সভাপতিত্ব করেন।
সভায় বিআরটিসির চেয়ারম্যান জানান, সারাদেশে ঘরমুখো মানুষের সহজ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে প্রতি বছরের মতো এবারও ৩ জুন থেকে বিআরটিসির ‘ঈদ স্পেশাল সার্ভিস’ চলাচল করছে।
তিনি বলেন, সাধারণ যাত্রীরা যেন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি আসা-যাওয়া করতে পারেন সেই বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। ঈদ সার্ভিসে যাত্রীসেবা দেওয়া কোনো গাড়ি যেন রাস্তায় বন্ধ হয়ে না যায়- সেজন্য কারিগরি বিভাগ থেকে যাত্রা শুরু আগের দিনই প্রতিটি গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা করে একটা সনদ দিতে হবে।সুত্র,জাগো নিউজ





