সিটি নিউজ ডেস্ক ।। বরিশাল: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ (ব্লকেড) করেছেন বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লাঠিচার্জে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ।

পুলিশের লাঠিচার্জে আহতরা হলেন- শুভ চন্দ্র সরকার, শাহবাজ আশরাফি, আয়নান চৌধুরী, সচেতন, অনুপম, বদর, মহিবুল্লাহ, আদিত্য কুন্ডু, রাকিব মিয়া, মেহেদী হাসান, মাহবুব, নয়ন। এছাড়া বাকিদের নাম জানা যায়নি।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) বেলা ২টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ক্যাম্পাসের সামনে বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থেকে বেরিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের জন্য আলাদা কমিশন বা প্রতিষ্ঠানের দাবি জানান।

জানা গেছে, দেড় মাস ধরে চলা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ সকাল ১০টা থেকে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় সাত কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের মহাসড়ক ছেড়ে দিতে বলেন। সড়ক ছাড়তে না চাইলে তাঁদের লাঠিপেটা করা হয় বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ইরান বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির আদলে একটি কার্যকর, টেকসই ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন গঠনের দাবিতে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে। এরই অংশ হিসেবে আজ শান্তিপূর্ণভাবে মহাসড়ক অবরোধ করি। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এসে আমাদের বেধড়ক লাঠিপেটা করেন। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। তাঁদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে মহাসড়ক আটকে বিক্ষোভ করায় যানজটে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। ভোলাগামী যাত্রী শামসুল আলম বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে সকাল থেকে গাড়িতে বসে আছি। মহাসড়ক আটকে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছি।’
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেন নি।





