বরিশালে নেজারত শাখার প্রসেস সার্ভার’র বিধি ভঙ্গ করে চাকরি গ্রহণ’অভিযোগে মামলা

সিটি নিউজ ডেস্ক ।। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল জেলা জজ আদালতের নেজারত বিভাগে কর্মরত প্রসেস সার্ভার উত্তম কুমার মিস্ত্রি সরকারি বিধি ভঙ্গ করে চাকরি গ্রহণ করছে বলে রিভিউ মামলা দায়ের করে একই এলাকার টিটু সিকদার। মহানগর জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলা নং-১১/২০২৫ মামলা সূত্রে জানা গেছে উত্তম কুমার ব্যক্তিগত জীবনে একজন কাঠমিস্ত্রি ছিল।

বরিশাল আদালতে চাকরি রত জয়া রানী কে বিয়ে করার পরপরই তিনি নিজেও সরকারি চাকরি করার স্বপ্ন দেখা শুরু করে।

অষ্টম শ্রেণির পাস সার্টিফিকেট দিয়ে ব্যাগ ডেটে দেখিয়ে অফিস সহায়ক পদে উমেদার পোস্টে চাকরিতে যোগদান করে।

সুত্রে জানা যায় তখন অফিস সহায়ক পদে জনবল বেশি থাকায় উত্তমকে নাইটগার্ড এর দায়িত্ব পালন করতে হয়। অভিযোগ আছে।

এদিকে তার নিয়োগ কৃত চাকুরির প্রজ্ঞাপন অনুসারে
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর নিয়োগ বিধিমালা ১৯৯০ এ বলা আছে চতুর্থ শ্রেণীর এম এল এস এস নাইট গার্ড সহ অন্যান্য পদে চাকরির বয়স সীমা ১৮ থেকে ২৭ বছর হতে হবে।

ওই বিধি মোতাবেক উত্তম কুমার মিস্ত্রি এর চাকরি হওয়ার কথা নয়। কিভাবে সে আইন ফাঁকি দিয়ে মন্ত্রণালয় চাকরি পেল এমটাই প্রশ্ন সুধীজন ও ছাত্র জনতার।

বর্তমান তার বয়স হিসাবে জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি)কার্ডের হিসেবে দেখা যায়, ৩১ বছরে তার চাকরি হয়েছে। জাতীয় পরিচয় পত্র(এনআইডি)কার্ডের তার জন্ম তারিখ ২১/০৮/১৯৭৩ ইং। অপরদিকে তারা আপনার ছোট বোন নিভা রানী মিস্ত্রি এর জন্ম তারিখ ১০/০৫/১৯৭৩ ইং। তিন মাস ব্যবধানে কোন মা সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব।

তথ্য গোপন করে কিভাবে সরকারি চাকরি পেলেন এবিষয়ে জানতে চাইলে উত্তম কুমার মিস্ত্রি বলেন আমি কিছু যানি না সব স্যারেরা যানেন।
আপনি নিয়োগ পেলেন কি করে? আর চাকরি স্থায়ী হয়েছে কিভাবে? তিনি বলেন এবিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। আপনি জেলা জজ আদালতের নাজির স্যারের সাথে কথা বলেন।


এদিকে তার নিজ এলাকা বরিশাল নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড টিয়াখালী এলাকার একাধিক হিন্দু ধর্মালম্ভী পরিবারের অভিযোগ তারা, স্বামী-স্ত্রী আদালতে চাকরি করার সুবাদে আমাদের নামে-বেনামে মামলা দায়ের করে হয়রানি করেন।

উত্তম কুমারের দেয়া মামলার বিবাদী শচিন সিকদার এর পুত্র সঞ্চিব সিকদার এবং শুধির ঘরামির ছেলে অভিনাস অভিযোগ করে বলেন ‘উত্তম’ বাবু একজন মামলাবাজ লোক, সে এলাকার মানুষের ঘুম নষ্ট করে দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বল্লে বা পান থেকে চুন খসলেই মামলা দায়ের করে।

জজ কোটে চাকরি করে বলেই যা ইচ্ছে তা করছেন তিনি। আমরা তার অত্যাচারে সংখ্যালঘু পরিবার থেকে শুরু করে মুসলিম কেউমুখ খুলতে সাহস পাচ্ছি না।অবৈধ নিয়োগে সরকারের লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে উত্তম কুমার। তাই অর্থ আত্মসাৎ ধরিয়ে দেয়ার জন্য টিটু সিকদার গত ১৪ই মে বাদী হয়ে মহানগর আদালতে মামলা দায়ের করেন মামলা নং সি, আর ৯৮৯/২৫ । আমরা কি মহানগর আদালত খারিজ করলেও পুনরায় আপেলের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকাবাসী ও মামলার বাদী পক্ষের দাবী বরিশাল জেলা জজ স্যার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনাসহ তার বিরুদ্ধে দেয়া সকল অভিযোগ তদন্ত করে সঠিক বিচার করবেন।
যাতে কোরে এই দুষ্ট প্রকৃতির লোকের হাত থেকে আমরা রক্ষা পাই।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin