বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সৈনিকের জমির বৈদ্যুতিক মিটার লুট” থানায় অভিযোগ।
নিজস্ব প্রতিবেদক ।। বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সৈনিকের জমির বৈদ্যুতিক মিটার লুট করে নিজের নামে স্থাপন করার অভিযোগ উঠেছে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী নূরুন্নেছা বেগম’র বিরুদ্ধে।
বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলহাজ্ব মোঃ আবদুল বাতেন মিয়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা সৈনিক এর অভিযোগ সুত্রে যানা গেছে প্রতিপক্ষ মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী নূরুন্নেছা বেগম গং
তার নবগ্রাম রোডস্থ ২২নং ওয়ার্ড বিসিসি মরহুম হাজী এছরাইল এর বাড়ীর ক্রয়কৃত ২.৮৩ শতাংশ জমিতে যাহার বি.এস দাগ নং- ৭৯৪০, এস.এ দাগ নং- ৬০৪, ৬০৮, ৬০৩, এস.এস মিউটেশন রেকর্ড খতিয়ান নং- ৭৯৪০, বি.এস রেকর্ড ডিপি খতিয়ান সং০ ১৪৪৪, মৌজা- বগুড়া আলেকান্দা, জে.এল নং- ৫০ যাহা বাউন্ডারী দেয়াল ঘেরা এবং অস্থায়ী টিনসেট গৃহসী তৈরীকৃত। বিগত ২৬/০১/২০০৮ ইং অপরাজে যে কোন সময় বিবাদী নূরুন্নেছা বেগম, বাহার আহমেদ উভয় পিতা- মৃত হাজী মোঃ এছরাইল, সাং- হাজী এছরাইল এরা আমার ঘর ভাঙ্গিয়া জোর পূর্বক প্রবেশ করে এবং (বৈদ্যুতিক মিটার যাহার নম্বর- ১০১৯৪৫) লুট করিয়া নিয়া গিয়াছে। আমি তখন তা এশার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় দেখতে পাই।
নূরুন্নেছা বেগম গত বরিশাল সিটি নির্বাচনে নিজেকে আওয়ামী সরকারের একজন বিশ্বস্থ্য কর্মি জাহির করতে ইসলামি আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীর উপর মিথ্যা অপবাদ রটায়।এই ঘটনার পর তিনি হয়ে উঠেন বিশাল মাপের আওয়ামীলীগ নেত্রী।
এরপরই নূরুন্নেছা বেগম সহ বিবাদীগন আদালতের আদেশ অমান্যকরে তৎকালীন সময়েরে প্রভাবশালী এক আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদ ফারুক শামীমের একান্ত সহকারী ছাত্রলীগ নেতা মাহাদ এর মাধ্যমে জোর পুবক এবং অবৈধ ভাবে আমার ঘরের মিটার লুট করে এবং ওই স্থানেই একটি নতুন বৈদ্যুতিক মিটার বসায়।
এবিষয় আইনি সহায়তা কামনা করে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহনে লক্ষে বিষয়টি থানায় অভিযোগ দায়েরে করে (জিডি নং- ২৭২), এছাড়া গত ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমপি মামলা দায়ের করেন যার নম্বর ১১১/১৭ (কোতয়ালী)এর অনুকুলে স্মারক নং-১৯৩, এরপর ২০১৮ সালের ২২জানুয়ারি বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নালিশি সম্পত্তিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ দেয়।যাহা সরজনীনে জারী থাকলেও জোর পুর্বক একটি নতুন বৈদ্যুতিক মিটার বসায় তারা।
সুত্র জানায় হাসিনা সরকার পতনের পরপর বেশ কিছু দিন পালিয়ে থাকলেও এখন আবার মাথা চারা দিয়ে উঠেছে।এলাকায় চালাচ্ছে নিজের ভয়ংকর প্রভাব।এখনো তার ভয়ে মুখ খুরতে পারছেননা তার নিজের আপন ভাইরা।প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা করে এই নারী।
একই স্থানে নতুন মিটার স্থাপনের বিষয়ে ওজোপাডিকো বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুল কুমার স্বর্ণকার জানায় আমি তখন দায়েত্বে ছিলাম না,এছাড়া আমি বক্তব্য দিতে চাচ্ছিনা,যার মিটার ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে, বা নষ্ট হয়েছে যাই হোক,তিনি আগে নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে হবে তার পর দেখবো কি ব্যবস্থা নেয়া যায়।
এছাড়া ওজোপাডিকো বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র বরিশালের উপসহকারী প্রকৌশলী ইকরামল হাসান বলেন যদি একাধিক ওয়ারিশদের জমি হয়ে থাকে তবে সকল ওয়ারিশগনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মিটার দেয়া যেতে পারে।





