বরিশালের পরীক্ষিত একটি নাম ‍‌‍বিলকিস জাহান শিরিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক >> বরিশালে রাজনৈতিক অংঙ্গনে এ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন শুধু একজন বিএনপি নেত্রী নন, তিনি বরিশালের সুপরিচিত মুখ এবং পরীক্ষিত একটি নাম।ছাত্র রাজনীতি থেকে – জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন এবং স্থানীয় রাজনীতিতে তার সাংগঠনিক ভূমিকা দীর্ঘদিনের। জেলের অন্ধকার ঘরে কেটেছে জিবনের অনেকটা সময়। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খলেদা জিয়ার সাথে যখন সৈরাচারী সরকার পতনে একধিক পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।

তিনি শুধুমাত্র বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না বরং সৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি বরিশালে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে রাজনৈতিক মিছিল মিটিং করতে গিয়ে জেল খেটেছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক কর্মকন্ডে যথাসাধ্য দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

দেশের ক্লান্তি লগ্নে করোনা মহামারির সময়, যখন মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়েছিল, সরকারিভাবে অনেক সহায়তা এলেও মাঠপর্যায়ে বিতরণ নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয় ঠিক তখনই বিলকিস জাহান শিরিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মাস্ক, স্যানিটাইজার, খাদ্যসামগ্রী ও ওষুধ বিতরণসহ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে তার প্রচেষ্টা প্রশংসিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দলের অনেক নেতা যখন ঘরে, তখন তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন, যা একটি সাহসিকতার নিদর্শন।

এমন একজন ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেত্রীর বিরুদ্ধে হঠাৎ করে দলীয় পদ স্থগিত বা অপবাদমূলক অভিযোগ সামনে আসা অত্যন্ত হতাশাজনক। শোনা যাচ্ছে, দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, ব্যক্তিগত হিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হতে চলেছেন শিরিন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড ও বরিশালের জনসাধারণ এ বিষয়ে অবশ্যই অবগত এবং সচেতন। একজন পরীক্ষিত নারী রাজনীতিককে দলের মূলধারায় ফিরিয়ে এনে তার মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে কাজে লাগানো এখন সময়ের দাবি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বরিশাল-৫ আসনে ইতি ম্যধ্যে ব্যাপক গনজারন সৃষ্টি করেছেন এই মানবিক নেত্রী ক্ষ্যত এ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin