১৫ বছরের কিশোরীকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করবার অপরাধে বাবা মা সহ চারজনের জনের বিরুদ্ধে মামলা।
নিজস্ব প্রতিবেদক >> বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার ক্ষুদ্র কাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ১৫ বছরের কিশোরীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে আটক রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করবার অপরাধে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসিকে সকল আসামীর বিরুদ্ধে এফআইআর করবার নির্দেশ দেন। বুধবার বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ওই নির্দেশ দেন। যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তারা হচ্ছেন ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার নাচন মহল গ্রামের মোঃ মজিবর খানের ছেলে রাজীব খান।
রাজিব খানের বাবা ম।জিবর রহমান খান মা পারভিন বেগম, ও বোন সীমা আক্তারে বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বাকেরগঞ্জ ক্ষুদ্র কাটি গ্রামের রেহেনা বেগম। তিনি মামলায় উল্লেখ করেন বাদির কন্যা ১৫ বছরের কিশোরী ক্ষুদ্র কাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী।
১ নং আসামি রাজীব খান সহ অন্যান্য আসামিরা আত্মীয় সুবাদে বাড়িতে বেড়াতে আসে। তখন বাদির কন্যার সহিত পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে প্রেমের প্রস্তাব দিলে বাদির কন্যা রাজি হয়নি। রাজি না হওয়াতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বাদির কান্নাকে বাড়ির সামনে থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এরপর বাদির কন্যাকে ২০২৪ সালের তিন সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত আটক রেখে ধর্ষণ করতে থাকে। যাতে সে অন্তঃসত্ত্বা না হয়ে পড়ে জোরপূর্বক তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। একই সময় বাদির কন্যাকে জোরপূর্বক ষ্টামে সই নিয়ে মারধর করে রুপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ফেলে রেখে চলে যায়।
বাদি সংবাদ পেয়ে সংবাদ পেয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।এ ব্যাপারে বুধবার মামলা হলে বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সকল আসামীর বিরুদ্ধে এফ আই আর করবার নির্দেশ দেন বিচারক। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতে বেঞ্চ সহকারী আজিবুর রহমান।





