সিটি নিউজ ডেস্ক :: বরিশালে দুই জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার এক সাংবাদিকের ছবি দিয়ে ফেইসবুকে আইডি খুলে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও তার ছোট ভাই উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ এবং মন্তব্য করায় সাইবার আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালের ওই মামলা করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক রেজাউল করিম।
বিচারক মো. গোলাম ফারুক মামলায় আনা অভিযোগ তদন্ত করে ভাণ্ডারিয়া থানার ওসিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান। মামলার বাদী রেজাউল করিম ভাণ্ডারিয়া উপজেলার পেশকার বাড়ীর বাসিন্দা আব্দুল খালেক পেশকারের ছেলে ও সাপ্তাহিক সংবাদ চিত্রের সম্পাদক। বিবাদীরা হলো একই উপজেলার দক্ষিন ভিটাবাড়িয়া এলাকার প্রয়াত নিরঞ্জন চন্দ্র মজুমদারের ছেলে তাপস মজুমদার ও ভাণ্ডারিয়া পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুরা এলাকার বাসিন্দা প্রয়াত লতিফ সিকদারের ছেলে সরোয়ার হোসেন।
মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হাসান বলেন, বিবাদীরা পিরোজপুর-২ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের বিপক্ষ দলের নেতাকর্মী। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে সাধারন মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করে। আসামীরা পরস্পরকে সহযোগিতায় বাদীকে ফাসানোর উদ্দেশ্যে গত ৫ জানুয়ারী তার (বাদী) নাম ও ছবি ব্যবহার করে আইডি খোলে। পরে বাদীর নামে আইডি থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজ ও তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলামের মানহানিকর মিথ্যা বক্তব্য “চাকরের কাছে মালিকের পরাজয়”।
এই চাকর এখন এমপি হবে। এরা হলো জাতীয় চোর। দুই ভাই মহারাজ ও মিরাজ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের টাকা ভুয়া প্রাক্কল তৈরি করে লুটপাট করা এদেশ নেশা। দুর্নীতির গডফাদার এরা জাতীয় দুর্নীতিবাজসহ নানা মানহানিকর পোষ্ট দেয়। উক্ত মানহানিকর লেখায় তাপস ও সরোয়ার কমেন্টস করে। বাদী মামলায় আরো উল্লেখ করেছে, এ ঘটনায় বাদী ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা করতে যায়। পুলিশ তাকে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার পরামর্শ দেয়। তাই বাদী সাইবার ট্রাইব্যুনালে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রার্থনা করেছেন।





