স্টাফ রিপোর্টার :: বরিশালে পাওনা টাকা ফেরত না দেয়ায় মিথ্যা ধর্ষনের অভিযোগে মামলা করা গৃহবধুকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
রোববার ৬ এপ্রিল, বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করে ওই গৃহবধূ। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা. রকিবুল ইসলাম জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বলে বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান জানিয়েছেন।
জেলে যাওয়া গৃহবধূ হলো-প্রতারক
সাদিয়া আফরিন তানিয়া। সে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হানুয়া বাড়পাইকা গ্রামের মো. আলউদ্দিন হাওলাদারের কন্যা ও বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোড খান বাড়ী এলাকার বাসিন্দা মালয়শিয়া প্রবাসী খলিলুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী।
মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান বলেন, তানিয়ার স্বামী খলিলুর রহমানকে ১০ শতাংশ জমি কিনে দেয়ার কথা বলে পুলিশ সদস্য নগরীর নবগ্রাম রোড খান বাড়ী এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান ফারুকের কাছে ৪৫ লাখ টাকা দেয়। পরে জমি না দেয়ায় আদালতে মামলা করে। ওই মামলার পর গৃহবধুকে ধর্ষনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষনের অভিযোগেও মামলা করে। ওই মামলার বিচারবিভাগীয় তদন্তে ধর্ষনের কোন প্রমান পায়নি। তাই মিথ্যা ধর্ষনের অভিযোগে মামলা করায় মিজানুর রহমান ফারুক ওই গৃহবধুকে আসামী করে মামলা করে। মামলার আসামী হিসেবে আদালতে হাজির হলে তাকে জেলে পাঠিয়েছে বিচারক।তানিয়া প্রতারণা করে ভিবন্ন লোকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয় রানির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সুত্রমতে
অবৈধ মেলামেশা করার সময় নতুন বউয়ের সামনে অসিফ কলিগদের হাতে ধরা খায় খলিল ও তানিয়া। মামলা থেকে বাঁচতে দুজন পালিয়ে কৌশলে বিয়ের পিরিতে বসেন। ওই ঘটনার ধামাচাপা দিতে পূর্বের শ্বশুরবাড়ির মামলা এবং সামাজিক চাপে পরিয়া খলিলুর রহমান। বাবার সম্পত্তি বিক্রি করিয়া মোট অংকের জরিমানা প্রদান প্রথম স্ত্রী কে। এর কারণ শুধু প্রতারক তানিয়া। স্বামি খলিলুর রহমানের পিতা: মোহাম্মদ মোজাহার মুন্সী বয়স (১০৩)তাকেও হয়রানি মুলক মিথ্যা,একাধিক মামলা দিয়ে মানহানিকর কর্মকান্ড করে এই নারী। তার এধরনের একাধিক প্রতারণা এবং জালিয়াতি করনে নি: স্ব অনেক পরিবার। ওই নারীর বিরুদ্ধে এর পূর্বে স্থানীয় বেস কয়েকটি প্রত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। চাকুরী হারানোর পথে পুলিশ সদস্য মিজানুর রহমান ফারুক সহ অনেকে।





