সিটি নিউজ ডেস্ক :: যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে বরিশালে গ্লোবাল স্ট্রাইক ফর গা‘জা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ সময় বিক্ষুব্ধরা ইসরায়েলকে অর্থ সহায়তা দেওয়া কেএফসির বরিশাল ব্রাঞ্চে ভাঙচুর চালান। ছাত্র-জনতা কেএফসির কার্যক্রম বরিশাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়।
সোমবার সকাল ১১টায় বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনের সড়কে ছাত্র-জনতার ব্যানারে কর্মসূচি শুরু হয়। সড়ক অবরোধ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করার পর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বগুড়া রোডস্থ কবি জীবনানন্দ দাশ সড়কে কে‘এফ‘সির সামনে বিক্ষুব্ধ জনতা অবস্থান নেয়। তারা অভিযোগ করেন, কে‘এফ‘সি ইসরায়েলকে অর্থ সহায়তা করে। যে অর্থের একাংশ যুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে।আন্দলনরত জনতা কে‘এফ‘সি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বিক্ষোভকারীরা কেএফসির সামনের সড়কে জোহরের নামাজ আদায় করেন। একইসঙ্গে মোনাজাতে গাজাবাসীর জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।
বিকেল সোয়া ৩টার দিকে কয়েকজন বিক্ষোভকারী প্রতিষ্ঠানটির ছাদে উঠে কেএফসির লোগো ভেঙে ফেলেন। পাশাপাশি ব্যানার নিয়ে যান। এছাড়া দেয়ালে বয়কট কেএফসি লিখে দেন তারা।
তারা রেস্টুরেন্টটির ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পরে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে বরিশালে কে‘এফ‘সির একমাত্র শাখাটি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, গা‘জায় ইসরায়েলি নৃশংসতার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধরা কে‘এফ‘সির সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করার পাশাপাশি নামাজ আদায় করেন । কে‘এফ‘সির লোগো ভেঙে ফেললেও প্রতিষ্ঠানের বড় কোনো ক্ষতি হয়নি । বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।





