মো: জিয়াউদ্দিন বাবু ।। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাবির সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ দলটির ৯৫ জনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বরিশালের দ্রুত বিচার আদালত।

২৫ জনকে নামধারি ও ৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা করে মোট ৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বরিশাল কোতোয়ালি থানার ওসিকে আসামিদের বিরুদ্ধে এফ আই আর করবার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ওই আদালতের বিচারক ওই নির্দেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আব্দুল জলিল। এ ছাড়া গণঅধিকারের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের নামও রয়েছে মামলায়। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) আদালত মামলাটি এজাহারভুক্ত করার জন্য কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন।

গত ৩১ মে বরিশালে জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানা মামলা গ্রহণ না করায় আদালতে অভিযোগ দেয় জাপা। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি এজাহারভুক্ত করার জন্য কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেন আদালত। জাতীয় পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক (আইনজীবী) আব্দুল জলিল জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় আদালতের আদেশসহ অভিযোগ থানায় পাঠানো হয়েছে।
থানায় দায়িত্বরত ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) ডলি আদালতের আদেশের পত্র গ্রহণ করেছেন। মামলার বাদি হচ্ছেন বরিশাল রিফুজি কলোনির মোঃ আল আমিন হাওলাদার।
যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তারা হচ্ছে গণধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুরু সম্পাদক রাশেদ খান গণঅধিকারের জেলা সভাপতি এইচ এম শামীম রেজা, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাসান, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ ফরাজি,সাধারণ সম্পাদক ছাত্র ঐক্য পরিষদ এ কে এম মাইনুল হক,, মাইদুল মাহমুদুল রহমান, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মোঃ রফিকুল ইসলাম রাসেল, মোহাম্মদ মিরাজ সরদার , রফিকুল ইসলাম সাগর , রোকনুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম সাগর, আব্দুল্লাহ আল সুজন, মিরাজুল ইসলাম, খান সাইফুল্লাহ, মাসুদুর রহমান, ইমরান শিকদার, রফিকুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির,রাসেল, রাজিব সহ অজ্ঞাতনামা ৭০ জনকে আসামি করে মোট ৯৫ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আদালতে মামালা দায়ের করা হয়।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন বরিশাল একটি জাতীয় পার্টির মিছিল চলাকালীন আসামিরা মিছিলের উপর হামলা চালায়। এসময় আসামিরা জাতীয় পার্টি অফিস ভাঙচুর, ও নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে তাদের আহত করে।এব্যাপারে মামলা করা হলে বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বরিশাল কোতয়ালী থানার ওসিকে উপরোক্ত নির্দেশ প্রদান করেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, জাপার মামলা-সংক্রান্ত আদালতের আদেশের কোনো কাগজপত্র এখনো হাতে পাইনি। ডিউটি অফিসার গ্রহণ করে থাকলে সেটা যথাসময়ে পাব। গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন বলেন, জাপার অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় আদালতে মামলা করার বিষয়ে জানি না। এমন ঘটনা ঘটলে আইনিভাবেই মোকাবিলা করা হবে।





