বরিশাল সদর উপজেলার টুমচরে জমি নিয়ে বিরোধ: উচ্চ আদালতে মামলা চলমান থাকায় এটি নথিজাত করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
নিজস্ব প্রতিবেদক >> বরিশাল সদর উপজেলার ১০নং চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের টুমচর বাজারসংলগ্ন বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু ভরাটের অভিযোগে আদালতে একটি মামলা করেন প্রবাসী ইলিয়াস কবির।
বরিশাল সদর উপজেলার ১৪০ নং ভেদুরিয়া মৌজার এস.এ. খতিয়ান নং ৫০ এবং বি.এস. খতিয়ান নং ৬২৭ এর অধীনে থাকা ২৫.৫০ শতাংশ জমি সাফ কবালা দলিল নং ১০৬৫৯-এর মাধ্যমে ক্রয় করেন। জমিটি তার নামে রেকর্ডভুক্ত হয় এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) নতুন খতিয়ান নং ৯৮৭ অনুমোদন করার পাশাপাশি জমির খাজনাও পরিশোধ করেন তিনি তবে, তার পুর্বে ওই একই দাগের জমি ওয়ারিশগন দের থেকে পাওয়ার অব এটর্নি করে নেন স্থানীয় অরুন নামে এক ব্যাক্তি।
জমি কেনার পর ইলিয়াস কবির কাটাতারের বেড়া দিয়ে জমি দখল সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেন। দুই পক্ষের মাঝে ঝামেলা থাকায় ৬-৭ মাস পর ইলিয়াস কবির জমিটি তাদের মালিকানাধীন দাবী করলে বেশ কয়েক বার স্থানীয় ভাবে সালিশ ব্যবস্থা না মেনে। কোনো প্রশাসনিক সহায়তা নিতে ইলিয়াস কবির আদালতে বন্টন মামলা দায়ের করেন।
জমি দখলের এমপি মামলা নং ১৪০৫/২০২৫ (বন্দর) দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪/১৪৫ ধারা অনুযায়ী বিরোধীয় জমিতে শান্তি বজায় রাখতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আদালতের নির্দেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই জমিতে দখল বা বিশৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম চালাতে পারবে না। এর ঠিক ২দিন পর ৩ সেপ্টেম্বর, ওই মামলার নতুন আদেশ হয়, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একই তালিকাভুক্ত উক্ত সম্পত্তি নিয়ে একই পক্ষদয়ের মধ্যে বিজ্ঞ উচ্চ আদারতে মোকদ্দমা চলমান থাকায় অত্র মোকাদ্দমাটি নথিজাত করা হলো। এ ছাড়া ওসিপিএস কে কপি রিকল প্রসেস করতে। যারস্মারক নং ২৯৫৬,এ সহকারি কমিশনার(ভুমি) এবং অফিসার ইনচার্জ বন্দর থানা কে অনুলিপি প্রেরন করার নির্দেশ দেয়া হয়। বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট এই আদেশ দেন।
স্থানীয়রা জানায় আইন মেনে উভয় পক্ষ জমি ক্রয় করেছেন এবং সব বৈধ প্রক্রিয়ায় রেকর্ড হালনাগাদ হয়েছে। জমিটি সমবন্ঠনের লক্ষে যে যার স্থান থেকে সঠিক তবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এটা ঠিক কাজ নয়।





